
William Blake (1757-1827)
Brief History: He (17571827) was an English poet, painter, and printmaker. He is both a poet and a painter.
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
i. William Blake কে অনেকে Romantic কবি হিসেবে বিবেচনা করেন।
ii. আসলে William Blake - Romantic Poet নন। তিনি হলেন Precursor of the Romanticism.
iii. তিনি একই সাথে ছিলেন Poet and Artist.
iv. তার রচিত বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হলো Songs of Innocence ও Songs of Experience.
v. তাকে বলা হয় Precursor of the Romantic Movement.
vi. অনেক সমালোচক তাকে Romantic Poet হিসেবে বিবেচনা করেন, আবার অনেকে তাকে Romantic Poet হিসেবে বিবেচনা করেন না।
His well-known works:
- Songs of Innocence and of Experience
- The Marriage of Heaven and Hell,
- The Four Zoas
- Jerusalem
- Milton a Poem
মনে রাখার কৌশল:
Milton এর বিয়েতে (Marriage) Blake- চারটি গান (Songs) গেয়েছিল।
Milton = Milton a poem
Marriage = The Marriage of Heaven and Hell.
Blake = William Blake
চারটি = The Four Zoas
Songs = Songs of Innocence and Songs of Experience
মেষ শাবক
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'মেষ শাবক' কবিতায় শিশুর স্বর্গীয় সারল্যকে যিশু খ্রিস্টের রূপকে প্রকাশ করতে প্রয়াস পেয়েছেন। কবি এখানে উল্লেখ করেন যে, মেষ শাবক ঈশ্বরের এক অপরূপ সৃষ্টি। শ্রভ্র লোমে ঢাকা এ প্রাণী যেন পুণ্যের সারল্য আর পবিত্রতাকে বহন করছে। যিশু জন্মগ্রহণ করেছিল জেরুজালেমের এক মেষ খামারে। এজন্য যিশু নিজেকে মেষ শাবক হিসেবে পরিচয় দিতেন। কবি বার বার মেষ শাবককে প্রশ্ন করে কে তোমাকে সৃজন করেছে, কে তোমাকে দিয়েছে আহার আর শুভ্র পোষাকের আবরণ। কবি বলেন তৃণময় প্রান্তরে মেষশাবকের মুখরিত কন্ঠস্বর যেন আলাদা রকম আবহ তৈরি করে। শেষে কবি স্বরণ করেন যিশুকে, যিনি মর্ত্যে আগমন করেছিলেন মেষ শাবকের মতোই শুভ্রতার প্রতীক হয়ে। কবি কিছু বলতে চান এই ছোট মেষশাবকের উদ্দেশ্যে। কবি বলেন, ক্ষুদ্র মেষশাবক মহান ঈশ্বরের অবারিত অসীম করুণা ধারা ঝরে পড়ুক তোমার উপর।
The Chimney Sweeper
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'The Chimney Sweeper' কবিতায় শিশু শ্রমের এক হৃদয় স্পর্শী চিত্র তুলে ধরেছেন। এ কবিতায় তিনি তার সময়ের ইংল্যান্ডের ইশটি অতি পরিচিত চিত্র তুলে ধরেছেন। সে সময় ইংল্যান্ডের যত্রতত্র চিমনি পরিষ্কারক হিসেবে হতদরিদ্র অনাথ শিশুদের দেখা যেত। দরিদ্র এই অনাথ শিশুদের নামমাত্র পারিশ্রমিকে অনেক ক্ষেত্রে শুধু দু'বেলা আহারের বিনিময়ে চিমনি পরিষ্কার করার মতো বিপজ্জনক কাজে নিয়োগ করা হতো। অনেক সময় চিমনি হতে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করত অনেক শিশু শ্রমিক। উইলিয়াম ব্লেক-এর এ কবিতায় আমরা এ ধরনের একটি অনাথ শিশুর সাক্ষাৎ লাভ করি। যে শিশুর খুব অল্প সময়ে মা মারা যান এবং তার পিতা তাকে বিক্রি করে দেন। যে ব্যক্তি তাকে ক্রয় করে সে তাকে ক্রীতদাস হিসেবে ক্রয় করে এবং তাকে দ্বারা চিমনি পরিষ্কার করার মতো দূরহ কাজে লাগিয়ে দেয়। কবিতায় আমরা প্রত্যক্ষ করি এই শ্রমিকদের উপর মালিকেরা স্বেচ্ছাচার চালাত, তাদের স্বাধীনতা ছিলনা বলেই চলে। এদের মধ্যে টম নামে এক শিশু শ্রমিকের কোকড়া কোকড়া চুলগুলো জোর করে কেটে দিল মালিক। টম এতে খুবই দুঃখ পেল। কবিতায় মূল কথক যে শিশু শ্রমিক এই বলে সাত্মনা দিল যে চুল কেটে ফেলায় তার উপকার হয়েছে। কারণ তার চুলে আর কাজ করার সময় চিমনি কালির ঝলি লাগবে না। এতে করে টম মোটামুটি শান্ত হলো। কান্না বন্ধ করে সে ঢলে পড়ল নিদ্রার কোলে। সে স্বপ্নে দেখল একজন দেবদূত তার সামনে দন্ডায়মান তার হাতে এক উজ্জ্বল চাবি, সে চাবি দ্বারা সবাইকে মুক্ত করল। এরপর দেবদূত জানালো, টম যদি ভাল ছেলে হয়, তাহলে সে পিতা হিসেবে পাবে ঈশ্বরকে, আনন্দের কমতি হবে না কোনদিন। এরপর সকলে ঘুম হতে উঠে প্রতিজ্ঞা করল, কেউ তাদের কাজে ফাঁকি দেবে না। সবাই নিজ নিজ কর্ম করবে মনোযোগ সহকারে।
মোট কথা, কবি উইলিয়াম ব্লেক শিশুদের স্বপ্নের মাঝে মুক্তির সম্ভবনাকে প্রত্যক্ষ করিয়েছেন এবং এটা বলে সান্তনা দেয়ার প্রয়াস পেয়েছেন যে সবাই যেন নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে। তাহলেই প্রকৃত মুক্তি, প্রকৃত আনন্দ ফিরে আসবে তাদের আঙ্গিনায়
Holy Tharsday
কবি উইলিয়াম ব্লেক রচিত 'Holy Tharsday' কবিতায় গির্জায় আওতাভুক্ত দাতব্য বিদ্যালয়ের এক অসাধারণ চিত্র তুলে ধরেছেন ব্যঙ্গ বিদ্রুপের মাধ্যমে। দাতব্য বিদ্যালয়ের অসহায় শিশুরা কিরূপ অসহায় আর বৈষম্যের শিকার তারই এক করুণ চিত্র প্রত্যক্ষ করি আমরা এ কবিতায়। অসহায় এ শিশুদের ধর্মের বাণী দ্বারা উদ্বুদ্ধ করা হয় ধর্মীয় নিয়ম শৃঙ্খলার মাঝে তারা শাসিত হয় অথচ তারা ঠিক মতো পরিচর্যা এমনকি পেট পুরে আহারও দেওয়া হয় না। তত্ত্বাবধানের নামে তাদের পৃষ্ঠে পতিত হয় চাবুকের আঘাত। কবিতার শুরুতে দেখা যায় শিশুরা মার্চ পাস্ট করছে, তাদের সামনে গির্জার আর্দালি ছড়ি হাতে এগিয়ে আসে। এ ছড়ি যেন শাসনদন্ড। কবি বলতে চান এ মাসনটা যেন একেবারেই বেমানান। ধর্মীয় নৈতিকতা শেখাতে গিয়ে তাদের মন মানসিকতাকে পঙ্গু করা হচ্ছে। দয়া দাক্ষিণ্য যা ধর্মের প্রধান একটি দিক তা যেন একেবারই অনুপস্থিহিত।
কবি কবিতায় শেষ দিকে এসব বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও পরিচালক মন্ডলীদের উপস্থাপন করে ব্যঙ্গ বিদ্রূপ করেছেন। কারণ তারা যে স্থানে আসন নেন তাদের পায়ের নিচে বসে থাকে শিশুরা। কারণ তারা নিজেদেরকে দরিদ্রের অর্থ্যাৎ অসহায় এ শিশুদের অভিভাবক হিসেবে দাবি করলেও এ শিশুদের প্রতি তাদের নেই কোন সামন্যতম করুণা। কবি বলতে চান অসহায় এ শিশুরা যেন দেব শিশু, তাদের যেন অবহেলা না করা হয়।
The Divine Image
কবি উইলিয়াম ব্লেক তাঁর 'The Divine Image' কবিতায় মহান ঈশ্বরের দয়া আর করুণার কথা তুলে ধরেছেন। কবি বলেন মানুষ যখন সংকটে পতিত হয়, তখন তারা মহান ঈশ্বরের আশ্রয় নেয়, দয়া আর করুনা প্রার্থনা করে তাঁর কাছে। মহান ঈশ্বরের ইচ্ছায় মানুষের সংকট কেটে গেলে সবাই মহান ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানায়। কবি বলেন প্রেম, দয়া আর করুণার মালিক মহান ঈশ্বর। তিনি মানুষের পরম পিতা, তাঁর সৃষ্ট জীবকে তিনি সন্তানতুল্য হিসেবে যত্ন নেন, মানব যেন মহান ঈশ্বরের কৃপা আর যত্নের মাঝেই টিকে থাকে।
কবি আরও বলতে চান এই দয়া, করুণা সবই মানুষের উজ্জ্বলতর চেহারার মাঝে ফুটে উঠে, প্রেম আর শক্তিটা যেন মানুষের বাহিরের পোশাক, কবি এখানে পোশাক প্রতীকে মানবের বাহ্যিক আচরণের দিকটির পানে ইঙ্গিত করেছেন। কবি সকল দেশের সকল মানব সমাজকে আহ্বান জানান চরম সংকটে মহান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা জানাতে। কবি বলেন, এছাড়া মানুষ মানুষকে করুণা করবে, দয়া করবে, ভালবাসবে, সে হোক মূর্তিপূজারী, তুর্কি, মুসলমান কিংবা ইহুদি। কবি বলেন যেখানে প্রেম করুণা আর শক্তির অবস্থান সেখানে মহান ঈশ্বরও অবস্থান করে।
সংস অব এক্সপেরিয়েন্স
কবি উইলিয়াম ব্লেকের 'সংস অব এক্সপেরিয়েন্স' কবিতা গুচ্ছের ভূমিকা অংশের কবিতায় কবি নিজেই যেন চারণ কবির ভূমিকায় অবতীর্ণ। এ চারণে কবি তার মধ্যে দিয়ে কবি তুলে এনেছেন মহান ঈশ্বরের বার্তাবাহককে, সে বার্তাবাহক অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সবই প্রত্যক্ষ করেন দিব্যদৃষ্টিতে। আর বার্তাবাহকের পবিত্র এ বাণী চারণ কবি নিজে কান পেতে শুনেছেন। আর এই বাণী সেই মহান বার্তাবাহক (যিশু খ্রিস্ট) হতে এসেছে যে বার্তাবাহক স্বয়ং নিজে স্বর্গীয় উদ্যানে ভ্রমণ করেছেন। স্বর্গচ্যুত আত্মা অর্থ্যাৎ আদম এবং ইভকে তিনি স্বর্গীয় উদ্যানে প্রাচীন সেই বৃক্ষের আড়ালে লজ্জিত অবস্থায় দেখতে পান, সে পতিত আত্মার কান্না।
Read more